বসুন্ধরার নবরত্নে শুরু হলো ৪র্থ উই বার্ষিক সম্মেলন
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪টি চ্যাপ্টারের ৮০টি শাখার উই নারী উদ্যোক্তার ১৬৫টি ফুড ও ৪৮০ টেক্টাটাইল ছাড়াও বাহারি দেশি পণ্য ও সেবার পসরা নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনসন সেন্টারের নবরত্নে বসেছে দুই দিনের উই সম্মেলন। ভবিষ্যত সম্ভাবনাকে আলিঙ্গনের অভিপ্রায়ে অনলাইন নারী উদ্যোক্তাদের চতুর্থ এই সম্মেলনে যুক্ত হয়েছে উই সিঙ্গাপুর, ইউকে ও মালোয়েশিয়া চ্যাপ্টার। শুক্রবার সকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিজস্ব রং ও ঐতিহ্যের প্লাকার্ড নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেন কয়েক হাজার নারী উদ্যোক্তা। অনুষ্ঠানের সফলতা কামনায় ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পর্ব শেষে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে উপস্থিত উদ্যোক্তাদের উদ্যোশ্যে, “জেগে থাকো, লেগে থাকো; সফলতা আসবেই” বলে আহ্বান জানান উই ট্রাস্টের উপদেষ্টা জাহানুর কবির সাকিব। তিনি বলেন, তিনি বলেন, এক বছর পর আমরা আবার এক হতে পেরেছি, এটা খুব আনন্দের। আর শুরু থেকেই এই আয়োজনে ঐকান্তিক সহযোগিতা পেয়েছি আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ভাইয়ের।
উই ট্রাস্ট এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের অপারেশন অফিসার গায়লে মার্টিন, মার্কিন দূতাবাসের ইকোনোমিক অফিসার জেসম গার্টনার, সিসিএ-এর কন্ট্রোলার এ. টি. এম. জিয়াউল ইসলাম, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফর উল্লাহ, দারাজের সিওও খন্দকার তাসফিন আলম, এমজিআইয়ের পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তাফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উই এর এই উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে অভিম ব্যক্ত করেন বিশ্বব্যাংকের অপারেশন অফিসার গায়লে মার্টিন।
বক্তব্যে নারীদের সামাজিক ব্যবসায় সুযোগ করে দিতে দারাজ নতুন প্লাটফর্ম ‘মাই বিজ’ চালু করেছেন বলে জানালেন তাসফিন আলম। বললেন, নারীদের এই প্লাটফর্মে আগামীতে সংযুক্ত থাকবে দারাজ।

ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তাফা বললেন, পুরুষদের সহযোগিতাতেই এগিয়ে যেতে হবে মেয়েদের। প্রতিযোগিতা নয় সহযোগিতার মাধ্যমে।
সভাপতির বক্তব্যে নারী উদ্যোক্তাদের ইন্টারনেট সমস্যার কথা তুলে ধরেন নাসিমা আক্তার নিশা। তিনি জানান, ঢাকা ও রাজশাহীতে কো-ওয়ার্কিং স্পেসের পর উই বিবর্তন বর্ষে রাজধানীসহ বিভাগী শহরে ফিজিক্যাল হাট-বাজার করতে যাচ্ছে উই ট্রাস্ট। এই ট্রাস্টের অধীনে এরই মধ্যে সাত শতাধিক নারী উদ্যোক্তা পেয়েছেন আইসিটি বিভাগের গ্র্যান্ড। তাদের অংশগ্রহণে আঞ্চলিক সামিকে ২ দিনে ১০ কোটি টাকার বেচা-কেনা হয়েছে। এই সফলতার ভিত্তিতে সামনে আরো ৫ হাজার নারী উদ্যোক্তা পাবেন এই অনুদান। এবার একক উদ্যোক্তা থেকে দলীয় উদ্যোগে যেতে চায় অনলাইন গ্রুপ।
সামিটের সহযোগিতা করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, কন্ট্রোলার অব সার্টিফাইং অথরিটিজ এবং উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিউরস ফিন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (উই-ফাই)।







